বাংলায় সংবাদ 🔊

অনলাইন ডেস্ক: দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের মাত্রা আগামি সেপ্টেম্বর থেকে কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। বিদ্যুতের উৎপাদনও বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি। রোববার বিদ্যুৎ ভবনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সেটি বাড়লেই অক্টোবর মাস থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক হবে লোডশেডিং। লোডশেডিং কমাতে এলাকাভিত্তিক সপ্তাহে একদিন কারখানা বন্ধের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাতেও বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এদিকে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) এর সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জানান, এলাকা ভিত্তিক কারখানা বন্ধের যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা মেনে নিলেও মন্ত্রণালয় থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এফবিবিসিআইয়ের নেতারা বলেন, তেলের দাম বাড়ায় পণ্য সরবরাহে ব্যয় বাড়বে। ফলে বাসের মতো ট্রাকেরও ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানান এফবিবিসিআইয়ের নেতারা। এসময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিনমন্ত্রী বলেন জনগণের কথা সরকারের মাথায় আছে। এই সমস্যাটা সাময়িক। বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করছে, আগামী মাস থেকে লোডশেডিং থেকে আস্তে আস্তে বের হয়ে আসবে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সমন্বয় করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা উৎপাদন বাড়াবো। গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে ব্যালেন্স করার চেষ্টা করবো। অক্টোবর থেকে পুরোপুরি আগের অবস্থা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দিকে যেতে পারবো। চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে ধের্য্য ধরার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

 

Bangladeshpost24.com

Previous articleআগামীতে উৎক্ষেপণ করা হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২
Next articleঅর্থনৈতিক উন্নয়নে এশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী