বাংলায় সংবাদ 🔊

অনলাইন ডেস্কঃ সাতসাগর তেরো নদীর ওপার থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (১৭৫৭-১৮৫৯), ভারতে ব্রিটিশ সরকার (১৮৬০-১৯৪৭) এবং ভারত বিভাগ-উত্তর পাকিস্তান সরকার (১৯৪৭-১৯৭১)—এ তিন ঔপনিবেশিক শাসনামলে প্রণীত ও প্রবর্তিত বিস্তর আইনকানুন, বিধি-বিধান উত্তরাধিকার সূত্রে কাঁধে নিয়ে বাংলাদেশের যাত্রা। এ দেশীয় ‘নেটিভ’দের জন্য প্রযোজ্য করে বিদেশী সামন্তবাদী প্রভুপ্রবর্তিত ঔপনিবেশিক মানসিকতাপুষ্ট ও আচরণে নিষ্ঠ আইনকানুন একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী দেশে বা পরিবেশে কতখানি প্রযোজ্য করা সমীচীন, সে বিচার-বিবেচনা বিশ্লেষণ, সংস্কার ও সময়োপযোগীকরণের প্রয়াস-প্রচেষ্টা শুরু হয় প্রথম থেকেই। তবে বশংবদ আমলা, বেনিয়া মুত্সুদ্দি মানসিকতার বেড়াজালে আটকা শাসক-প্রশাসক চক্রের ‘ধীরে চল নীতি’ এবং এমনকি রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভেদ-বুদ্ধি-কায়েমি স্বার্থবাদী চিন্তা-চেতনার মারপ্যাঁচে সে সংস্কার প্রয়াস প্রলম্বিত হতেই থাকে। বিশ্বায়নের যুগে মুক্তবাজার অর্থনীতির সহযোগী হওয়ার কালে, মৌলিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচণ্ড তাগিদ পরিবেশে প্রচলন-অযোগ্য আকালের আইনকানুন প্রয়োগ প্রেসক্রিপশন কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ার পরিবেশে দল-মত নিরপেক্ষ তদানীন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিদ্যমান রেগুলেটরি আইনকানুনকে সময়োপযোগী করার সুপারিশ প্রদানে রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশন গঠন করে ৩০ অক্টোবর, ২০০৭। এর আগে সে সময়কার সরকার বেটার বিজনেস ফোরাম নামে একটি আন্তঃভাবনা ও সমন্বয়ক প্লাটফর্ম গঠন করে। মূলত সে কমিটির কার্যধারণকালে বিদ্যমান নীতিনির্ধারণী ও নিয়ন্ত্রণমূলক আইনকানুনের সংস্কার, তথা যুগোপযোগীকরণের প্রয়োজনীয়তার সুপারিশ উঠে আসে। এ উদ্দেশ্যে গঠিত কমিশনের নেতৃত্বদানের দায়িত্ব অর্পিত হয় ড. আকবর আলি খানের (১৯৪৪-২০২২) ওপর। দেশের অর্থ প্রশাসনসহ ইতিহাস অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা ও আইনকানুন প্রয়োগ প্রবর্তন নিয়ে তার ছিল ব্যাপক পড়াশোনা। সুদীর্ঘ চার দশকের সরকারি চাকরি, বেসরকারি অধ্যাপনা ও গবেষণাসূত্রে তার অর্জিত অভিজ্ঞানের আলোকে রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তখন তিনিই ছিলেন উত্তম পাত্র। ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিশনের অন্য সদস্যরা ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক দুই উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী এবং আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সংস্থাপন, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, বাণিজ্য এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, এনবিআর চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, মার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ রউফ চৌধুরী, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান এবং সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান। প্রজ্ঞাপনে বলা হয় কমিশনের মেয়াদ এক বছর, বিওআই কমিশনের সচিবালয় এবং সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান কমিশনের সদস্য সচিব, কমিশন সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে কাজ করবে। কমিশনের মুখ্য দায়িত্ব ‘ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট, ফাইন্যান্স, বিজনেস’বিষষক আইন-কানুন যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রযোজ্য সংস্কার (পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও বর্জন) সুপারিশ করবে। কমিশনের মেয়াদ আপাতত এক বছর হলেও ক্রমান্বয়ে এটি একটি স্থায়ী কমিশনে রূপ নেবে (যেমন বিটিআরসি, বিইআরসি) এ ধরনের ধারণা চাউর ছিল।

কাগজ-কলমে যাই থাকুক না কেন এবং সচরাচর যা হয়ে থাকে কমিটির দুই-তিনজন সদস্যকে মুখ্য মুনশীর দায়িত্ব পালন করতে হয়। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মুয়ীদ চৌধুরী, এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে আমি এবং শিক্ষক, গবেষক ও সিপিডির ধারক-বাহক ড. মুস্তাফিজুর রহমানের ওপর সেই চাপটা এসে পড়ে। কমিশনের চেয়ারম্যান আকবর আলি খান, মুয়ীদ চৌধুরী এবং আমি—আমরা তিনজনই এনবিআরে দায়িত্ব পালন করেছি বিধায় ‘ট্রেড, ইনভেস্টমেন্ট, ফাইন্যান্স, বিজনেস’বিষয়ক আইনকানুনের পোস্টমর্টেমের কাজ আমাদের ঘাড়ে চাপে। আর এ সবের যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি দাঁড় করানোর কাজে লেগে যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, আইন, অর্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ড. মুস্তাফিজুর রহমান। আমরা পুরনো ও বিদ্যমান আইনকানুনের বংশ-লতিকাসহ তাদের দেহে যা এবং যতটুকু প্রাণ আছে, তার সবই সংগ্রহ করলাম। আমাদের নথি স্বাভাবিক মোটা থেকে স্ফীতকায় হয়ে উঠল। এ সময় ও উপলক্ষে আইন সচিব (হাবিব উল আউয়াল মজুমদার) একটি ঐতিহাসিক কর্মযজ্ঞে হাত দিলেন। তিনি কোম্পানি আমল থেকে হালনাগাদ যত আইনকানুন জারি হয়েছে তার ধারাবাহিক তালিকা করে ‘বাংলাদেশ কোড’-এ জাতীয় নাম দিয়ে সব ডিজিটালাইজডের কাজ শুরু করলেন। এখন সেটি একটি অত্যন্ত কার্যকর আইনকানুনের সংগ্রহশালা (ডিজিটাল মহাফেজখানা) হিসেবে পরিকীর্তিত হচ্ছে। রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের অনুপ্রেরণা, চাহিদা ও তাগিদেই এ উদ্যোগ। এত শত শত আইন-কানুনের কোনটাকে কীভাবে ধরব আর ঘাড় মটকাব তার ঠাওর করার সমস্যার সমাধান বাতলে দিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান। তিনি বললেন, প্রথমে সমকালীন সময়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়ভুক্ত আইনগুলোয় হাত দিই, এরপর সম্ভাব্য সহজ সংস্কারযোগ্যদের ধরব, তারপর নতুন-পুরনোর মিশেলে মন দেব।

আমরা দেখতে পেলাম, ১৮৭৯ সালের ৩ মার্চ জারি করা পোস্টাল অ্যাক্টে পার্সেল, চিঠি, মানি অর্ডার ইত্যাদি পরিবহন ও বিলি বণ্টনের দায়িত্ব শুধু ডাক বিভাগের। পোস্টাল অ্যাক্টে কোনো পরিবর্তন না এলেও ২০০৭ সালে আমরা লক্ষ করলাম কুরিয়ার সার্ভিস চালু হয়েছে, ক্যাশ ই-ট্রান্সফারের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে অথচ এসবের আইনসংগত নিয়ন্ত্রণের নতুন কোনো আইন নেই। ফলে এসব কার্যক্রম তখন বেআইনি এবং এসব প্রচলনে কর্তৃপক্ষ দ্বিধায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ব্যাখ্যা বিদ্যমান, ফলে প্রতারণায় প্রতিকার পাচ্ছেন না সেবা গ্রহণকারী বা ব্যবহারকারীরা। কমিশন থেকে সরকারের কাছে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট সংশোধন ও ব্যাখ্যা (প্রভিশন) স্পষ্টকরণের সুপারিশ করা হলো। তাত্ক্ষণিক আইন সংশোধনের পদক্ষেপ এল। উবার কি ট্যাক্সি, না ডিজিটাল ওরফে একটি ইন্টারনেট বেজ ব্যবস্থা—এ জাতীয় বিষয়গুলোর জন্য নতুন আইনের কথা উঠল। এনবিআর প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার সময় অর্থ আইনের মধ্যে আগের আইনের যে ছোট-বড় পরিবর্তন আনে কিংবা নতুন কর ধার্য করে, তা বাজেট পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়ে যায়, স্টেকহোল্ডাররা এর কিছুই আগে থেকে জানতে পারে না। এনবিআর এসব পরিবর্তন-পরিমার্জন এমনকি নতুন কর হার পরিবর্তনের ইমপ্যাক্ট অ্যানালাইসিস করে কিনা তা অস্পষ্ট থেকে যায়, ফলে এসবের দ্ব্যর্থবোধক ব্যাখ্যার সুযোগ নেয় কর কর্মকর্তা ও পেশাজীবীরা। ফলে করদাতাদের কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস বেড়েই চলে। কমিশন এ ধরনের পথ, প্রথা বা পন্থায় পর্যাপ্ত সংস্কারের সুপারিশ দিতে যাবে—ঠিক এ সময় সরকারের মেয়াদ শেষে পরবর্তী সরকার কমিটিকে অনেকটা অগ্রাহ্য করতে শুরু করলে কমিশন চেয়ারম্যান আকবর আলি খান নিজেই যবনিকাপাত টানেন এ অধ্যায়ের।

এখানে দুটি বিষয় পর্যালোচনার অবকাশ আছে। পরবর্তী সরকার এ ধারণা পোষণ করতে শুরু করেন যে এ ধরনের কমিশন না করে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় তাদের প্রয়োজন ও প্রযোজ্যতা অনুযায়ী আইন সংশোধনের কাজ করতে পারে। বলাবাহুল্য গত ১৩ বছরে এভাবে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও সংস্থার উদ্যোগে বেশকিছু আইনের সংশোধন ও নতুন সংযোজন হয়েছে। তবে তা ছিল বা হয়েছে যদিও যথেষ্ট সময় নিয়ে কিন্তু প্রয়োগ-প্রবর্তনের আগেই সমালোচনা অমান্যের মানসিকতার হাতে বন্দি হয়েছে। ২০০৫-এর করন্যায়পাল আইন ২০১১-এর রহিতকরণ, ২০১২ সালের ভ্যাট আইন, নিরাপদ সড়ক আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সিভিল সার্ভিস আইন ইত্যাদি দেখলে অনেক কিছু জানা যাবে। ড. আকবর আলি খান বলতেন, আইনকে অবশ্যই কার্যকরণের সঙ্গে সমন্বয়ধর্মী হতে হবে। আইন প্রণয়নকারী নিরপেক্ষ দৃষ্টি দেবেন, আইন বাস্তবায়নকারীর মুসাবিদা করা আইনকে ইনটোটো গ্রহণ ও প্রবর্তন করলে তা প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে বিরোধ সৃষ্টি হবেই। আর সবসময় খেয়াল রাখতে হবে প্রেক্ষাপটের প্রতি অর্থাৎ যে সময়ে আইন প্রবর্তিত হবে সে সময় শুধু নয়, ভবিষ্যতেও এর কী ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন তার যথাযথ প্রভিশন সেখানে থাকতে হবে। তাহলেই আইনটি সর্বজনীন ও সর্বকালীন হবে। উদাহরণস্বরূপ, প্রেক্ষাপট আমূল পরিবর্তন সত্ত্বেও ১৯৪৭ সালের ফরেন একচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট কিংবা ১৮৮১ সালের দ্য নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট এখনো বিদ্যমান থাকা সমীচীন নয়। অর্থ আইনে আয়কর ভ্যাট ও কাস্টমস অ্যাক্টের কতিপয় শব্দ বা ধারা-উপধারায় পরিবর্তন আনলেই আইনটিকে সময়োপযোগী হয়েছে বা হচ্ছে, এমন বলা যাবে না। সামগ্রিকতায় পরিবর্তন প্রয়োজন। আরেকটি বিষয়, আকবর আলি খানের কমিশন বা তার কর্মধারা আগে উল্লেখিত কারণে (বশংবদ আমলা বেনিয়া মুত্সুদ্দি মানসিকতার বেড়াজলে আটকা শাসক-প্রশাসক চক্রের ‘ধীরে চল নীতি’) কমিটিকে অগ্রাহ্যের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল কিনা তা দেখা যেতে পারে। এজন্য জাতীয় গণগুরুত্বপূর্ণ কোনো সংস্কারকাজ কমিশনের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা-অনাস্থার দোলাচালের মতো ক্ষুদ্র গণ্ডিতে বাধা পড়া জাতির দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কী!

৩ মে, ২০২২ প্রথম আলোর বিশেষ সংখ্যায় ড. আকবর আলি খানের একটি নাতিদীর্ঘ সাক্ষাত্কার ‘আমি সত্য বলার চেষ্টা করি’ প্রকাশিত হয়। সেখানে প্রসঙ্গক্রমে তিনি উল্লেখ করেন, ’বিশেষ করে একটি বিষয়ের কথা বলব, যেটি নিয়ে আমি যা লিখেছি, সেটা যথেষ্ট নয়। সেটি হলো বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার ‘অবাক বাংলাদেশ: বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি’ বইয়ে যে প্রবন্ধটি আছে, সেখানে আমি শুরু করেছিলাম বঙ্গবন্ধুর একটি উদ্ধৃতি দিয়ে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলাদেশের ফৌজদারি মামলা মিথ্যা দিয়ে শুরু হয়, মিথ্যা দিয়ে শেষ হয়। এর সবই মিথ্যা। বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রধান দুর্বলতা হলো, এখানে মিথ্যাকে বের করার কোনো উপায় নেই। এ সম্পর্কে আরো গবেষণা করলে বোধ হয় দেশের লোক উপকৃত হতো। আপনি শুনে অবাক হবেন এ প্রবন্ধ পড়ে উচ্চ আদালতের একজন মহামান্য বিচারক আমার সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আপনি সত্যি লিখেছেন। আমরা লোকজনকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দিই, কিন্তু কে অপরাধী আর কে অপরাধী নয়, সেটা নির্ণয় করার ক্ষমতা আমাদের নেই। শুধু আইনের ভিত্তিতে এগুলোর আদেশ দেয়া হয়।’

ব্রিটিশ সরকার প্রবর্তিত ভারতীয় আয়কর আইন, ১৯২২-এর জন্মশতবর্ষ এবার। এখনো এনবিআর নতুন আয়কর আইন মুসাবিদা শেষ করতে পারছে না। প্রতিবেশী দেশ ভারতীয় প্রজাতন্ত্র ‘ভারতীয় আইন কমিশন’-এর মাধ্যমে একই ১৯২২ সালের আয়কর আইনকে ১৯৬১ সালে নতুন অবয়বে প্রবর্তন করেছে। ভারতের আইন কমিশন, সাউথ কোরিয়ার রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশন, মেক্সিকোর ফেডারেল রেগুলেটরি ইমপ্রুভমেন্ট কমিশন এবং ব্রিটেনের বেটার রেগুলেশন এক্সিকিউটিভের মতো বাংলাদেশে রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের পুনরুজ্জীবন প্রয়োজন। কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান সদ্যপ্রয়াত ড. আকবর আলি খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

 

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ: সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান এবং অধুনালুপ্ত রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের সদস্য

সূত্রঃ বণিক বার্তা

 

Bangladeshpost24.com

Previous articleজনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকারঃ রব
Next articleভারত চীনের সঙ্গে নিজস্ব তাইওয়ান কার্ড খেলছে