Home রাজনীতি ভোলায় বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলির ঘটনায় সাত দলীয় গণতন্ত্র মঞ্চের নিন্দা

ভোলায় বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলির ঘটনায় সাত দলীয় গণতন্ত্র মঞ্চের নিন্দা

6

অনলাইন ডেস্কঃ ভোলায় বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার মৃত্যু এবং বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার ঘটনায় ৭ দলীয় ‘গণতন্ত্র মঞ্চের’ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সাত দলীয় গণতন্ত্র মঞ্চ।

সোমবার জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণসংহতি আন্দোলন -এই সাতটি রাজনৈতিক দলের এক সভা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব-এর উত্তরার বাসভবনে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় এক যৌথ প্রস্তাবে নেতৃবৃন্দ ভোলায় বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলি এবং তাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মি আব্দুর রহিম নিহত ও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন জনগণের সম্মতি ছাড়া ক্ষমতাসীন এই সরকারের সীমাহীন দূর্নীতি, লুটপাট এবং অব্যবস্থাপনার জন্য দেশের অর্থনীতি আজ চরম সংকটে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে। লোডশেডিংয়ে সারা দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। জ্বালানি সংকটের কারণে কল-কারখানা এমনকি সার কারখানা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের নিম্নবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত শ্রেণীও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। লুটেরা সরকার আর তার দোসরদের অর্থ এবং ক্ষমতা লিপ্সার কারণে দেশ আজ এক গভীর সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার সম্মিলিত ফলাফলই হচ্ছে আজকে বিদ্যুৎ সংকট এবং চরম দুরাবস্থা। ফলে যতই সরকার ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের দোহাই দিক না কেন, বিদ্যুৎ সংকটের দায় এবং পরিস্থিতি মোকাবেলার ব্যর্থতা সম্পূর্ণভাবে সরকারের। কাজেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা জনগণের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে এই প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে আবারো প্রমাণ করলো বল প্রয়োাগ করে জবরদস্তি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় তারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায়। নেতৃবৃন্দ বলেন, কিন্তু এইভাবে দমন করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা যাবে না। জনগণের অভ্যুত্থানে এই সরকারের পতন ঘটবে।

নেতৃবৃন্দ সকল অত্যাচার দমন, পীড়ন, নির্যাতন এবং এই হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে জনগণের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলা এবং ফ্যাসিবাদী সরকার ও শাসনব্যবস্থার পতনের লড়াইকে জোরদার করার আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, প্রেসিডিয়াম সদস্য বহ্নি শিখা জামালী, আকবর খান, জেএসডির  কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাকিব আনোয়ার, গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া, সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হাসান, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতার হোসেন এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দিন পাপ্পু প্রমূখ।

Bangladeshpost24.com

Previous articleঘুরে দাঁড়াচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার
Next articleঅন্য কেউ এসে রেলকে ধাক্কা মারলে , ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায় রেলের নয়-রেলমন্ত্রী