মুফতি কাজী ইব্রাহীম

বাংলাদেশ পোষ্ট ২৪ ডটকম: টেলিভিশনে ইসলামী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় কথিত ধর্মীয় বক্তা মুফতি কাজী ইব্রাহীমের জামিন নাকচ করেছে আদালত।

সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

ইব্রাহীমের আইনজীবী শওকত উল্লাহ চৌধুরী জামিন শুনানিতে বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ফারুকী হত্যা মামলায় কাজী ইব্রাহীমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কাজী ইব্রাহীম ওই ঘটনার সঙ্গে ‘জড়িত নন’।

“সামাজিক, আর্থিক, মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। মামলার ১২ বছর পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কোনো আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তার নাম বলেননি। দুই মাসের অধিক সময় ধরে এ মামলায় কারাগারে আছেন কাজী ইব্রাহিম। জামিন পেলে তিনি পালাবেন না।”

আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার এসআই জালাল উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ভোরে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের বাসা থেকে কাজী ইব্রাহীমকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দুটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর মধ্যে জেড এম রানা নামের এক ব্যক্তি টাকা আত্মসাত ও প্রতারণার দায়ে কেটি মামলা দায়ের করেন। আর সামাজিক মাধ্যমে ‘উগ্র’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করে গোয়েন্দা পুলিশ।
সেসময় ওয়াজ মাহফিল, ইউটিউব, ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কাজী ইব্রাহীমের বিভিন্ন বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ফারুকী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় ইব্রাহীমকে। ২০১৪ সালের ২৭ অগাস্ট ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের ভাড়া বাড়ির দোতলায় মাওলানা ফারুকীকে গলা কেটে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত।

ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুকী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতেরও কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।

ফারুকী হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে ৫০ বারের বেশি সময় নিয়েছে পুলিশের বিভিন্ন সংস্থা। এখন মামলাটি তদন্ত করছেন সিআইডির বিশেষ সুপার রাজীব ফারহান।

bangladeshpost24.com

Previous articleটুইটারের মালিকানা কি ইলন মাস্কের হাতেই যাচ্ছে
Next articleধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: ভোলার বাপন দাসের ৮ বছর সাজা