অনলাইন ডেস্কঃ বেসরকারি হেলিপ্যাড ও হেলিপোর্টগুলোকে নিয়ম-কানুনের আওতায় আনতে দুটি নীতি চূড়ান্ত করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

কর্পোরেট কাজে এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে হেলিকপ্টার পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের আকাশপথে বিমান চলাচল বাড়ানোই এ নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য।

নীতিমালা গঠন কমিটিতে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “বেসরকারি হেলিকপ্টার অপারেটরদের একটি কাঠামোর আওতায় আনাই এ নীতিমালার প্রধান লক্ষ্য।”

এদিকে, নীতিমালা চূড়ান্ত করার পেছনে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে সিএএবি এফএসআর বিভাগের পরিচালক (এয়ার ট্রান্সপোর্ট) একেএম ফয়জুল হক  বলেন, “শহরের আবাসিক এলাকায় এলিভেটেড হেলিপ্যাড ব্যবহার করে হেলিকপ্টার উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় শব্দ কমানোর পদ্ধতি সামঞ্জস্য করতে বলা হয়েছে।”

নীতিমালা অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, পরিবেশ বিভাগ এবং আইন প্রয়োগকারী নিয়ন্ত্রক ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই হেলিপ্যাড স্থাপন করা যাবে।

স্টেকহোল্ডার, এয়ার অপারেটর এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) মধ্যকার বৈঠকের সময় মঙ্গলবার (২ আগস্ট) নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়।

bangladeshpost24.com

Previous articleফখরুল বললেন -আগে রাস্তা দখল,কর্মীরা চান হরতাল
Next articleডিজিটাল ডেটা সিকিউরিটি অ্যাক্ট হচ্ছে:পলক