অনলাইন ডেস্কঃ ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারলেই দরজা খুলে যাবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। এমন সমীকরণ নিয়েই বাছাই পর্বের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশের নারীরা।

ব্যাটে বলে দাপট দেখিয়ে থাইল্যান্ডকে ১১ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড। এই ম্যাচে বাংলাদেশের করা ১১৩ রানের জবাবে থাইল্যান্ডের ইনিংস থেমেছে ১০২ রানে।

শেষ দুই বলে দুই ছক্কার সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়েছিল থাইল্যান্ড। দুই বলে ২ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছেন সালমা খাতুন।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এদিন টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় টাইগ্রেসরা। ওপেনিং জুটিতে ফারজানা হক ও মুর্শিদা খাতুন যোগ করেন ৩৪ রান। ফারজানা ১১ রান করে ফিরে গেলে এই জুটি ভাঙে।

এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি আরেকটি জুটি গড়ার চেষ্টা চালান মুর্শিদাকে নিয়ে। যদিও সেই জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মুর্শিদা ফিরে গেলে। মুর্শিদা ২৬ রান করে ফেরার পর নিগার আউট হয়েছেন ১৭ রান করে।

দারুণ ফর্মে থাকা সোবহানা মুস্তারি এদিন থিতু হতে পারেননি। তিনি আউট হয়ে যান মাত্র ১৭ রান করে। শেষ দিকে রিতু মনি ১৭ রান করে রান আউট হন। অবশ্য ২৮ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশের মাঝারি সংগ্রহ নিশ্চিত করেন রুমানা আহমেদ।

থাইল্যান্ডের হয়ে একটি করে উইকেট নেন রোসেনান কানহ, ফানিটা মায়া ও অনিচা কামচমফু। লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে বাংলাদেশের বোলারা শুরুতেই উইকেট এনে দেন।

দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ১৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় থাই মেয়েরা। একপ্রান্ত আগলে রেখে থাইল্যান্ডের মেয়েদের শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে রেখেছিলেন নাথাখান চান্থাম। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই।

১২ রান এসেছে অধিনায়ক নারুমল চাইওয়াইয়ের ব্যাট থেকে। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে চান্থামকে বোল্ড করে ফিরিয়েছেন সালমা। তার ব্যাট থেকে এসেছিল সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস।

শেষ পর্যন্ত ১০ রানে অপরাজিত ছিলেন সরনারিন টিপোচ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন সালমা। ২টি উইকেট পেয়েছেন সানজিদা আখতার মেঘলা। আর একটি উইকেট গেছে নাহিদা আখতারের ঝুলিতে।

 

Bangladeshpost24.com

Previous articleদিনাজপুরে ট্রাকচাপায় দুলাভাই-শ্যালক নিহত
Next articleমিয়ানমারের পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে উঠেছে: জাতিসংঘ