অনলাইন ডেস্কঃদেশের প্রযুক্তিগত তথ্য-উপাত্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ডিজিটাল ডেটা সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ প্রণয়ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

দেশের প্রযুক্তিগত তথ্য-উপাত্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে “ডিজিটাল ডেটা সিকিউরিটি অ্যাক্ট” প্রণয়ন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে আমরা আমাদের তথ্য-উপাত্তের নিরাপত্তার জন্য ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্টের খসড়া প্রণয়ন করেছি। সবার মতামত নিয়েই এই আইন করা হবে।”

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে বাংলাদেশ টেকনোসিটি লিমিটেড ও ফেলিসিটি আইডিসি ইন্টারনেট ডেটা সেন্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “আশা করা যাচ্ছে, এখানে (টেকনোসিটি ও ফেলিসিটি আইডিসি ইন্টারনেট ডেটাসেন্টারে) আরও দুই থেকে আড়াইশ’ কোটি টাকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ আসবে।”

হাইটেক পার্ক হবে ডিজিটাল অর্থনীতির চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে যাত্রা শুরু করেছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে এখানে আরও ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং এই সময়ের মধ্যে হাইটেক টাউনশিপে ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।”

বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে ৮২ জন বিনিয়োগকারীকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে দুটি ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। এরা মোট ৫৭০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এখানে বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ করতে কর মওকুফ এবং বিদেশে পণ্য রপ্তানিতে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “কাওরান বাজারে কোনো জায়গা খালি নেই। বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে বিনিয়োগের এখনই সঠিক সময়। তাই এখনই অল্প বিনিয়োগে স্বল্প খরচে হাইটেক পার্কে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করা যাবে। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার কিংবা বিপিও যে ব্যবসাই হোক না কেন আমাদের এখানে যে সুবিধা আছে বাংলাদেশের কোথাও সে সুবিধা পাওয়া যাবে না।”

bangladeshpost24.com

Previous articleনিয়ম-কানুনের আওতায় আসছে বেসরকারি হেলিপ্যাড ও হেলিপোর্ট
Next articleবাংলাদেশী তরুনদের বানানো রোবট পানির নিচে অনুসন্ধান চালাবে