বাংলায় সংবাদ 🔊

অনলাইন ডেস্কঃ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন।

এদিন আসামি ডিআইজি মিজান ও তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষী জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাকে জেরা করেন। জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত। তবে ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর একই আদালত ডিআইজি মিজানুর রহমানসহ চার জনের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি মিজানুর রহমান তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২৪ লাখ ২১ হাজার ২২৫ টাকায় শুলশান-১ এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান বরাদ্দ নেন। এছাড়া মিজানুর রহমান নিজে নমিনী হয়ে তার ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর একটি ব্যাংকে এফডিআর একাউন্ট করে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন। তবে দুদকের অনুসন্ধান চালু হওয়ার পরে সে টাকা ভাঙিয়ে সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭ টাকা তুলে নেয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিজানুর রহমান তার স্ত্রী রত্না রহমানের নামে কাকরাইলে ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট ক্রয়ে ২০১১ সালে চুক্তিনামা করে বিভিন্ন সময় ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫০ টাকা নির্মাণ কোম্পানিকে পরিশোধ করেন। পরে ২০১৬ সালে ফ্ল্যাটটি ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের নামে দলিল রেজিস্ট্রি করেন।

 

 

Bangladeshpost24.com

Previous articleপ্রতি ইভিএমে খরচ হতে পারে পৌনে চার লাখ টাকা
Next articleএবার উখিয়া সীমান্তে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপ; আতঙ্ক