Bangladeshpost24.com
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

অনলাইন ডেস্কঃ সরকার জাতীয় সংসদকে ‘একদলীয় ক্লাবে’ পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ইটস এ ক্লাব অব আওয়ামী লীগ। গণতান্ত্রিক যতগুলো প্রতিষ্ঠান আছে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সরকার ধ্বংস করেছে।’

গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে এক আলোচনা সভায় ফখরুল এ মন্তব্য করেন।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়।

গত ১৯ ডিসেম্বর বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফা রূপরেখা ঘোষণা করা হয়। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে এর ওপর আলোচনা-পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

গতকালের আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘গণতন্ত্রের গেটওয়ে হচ্ছে নির্বাচনী ব্যবস্থা। নির্বাচন করে আপনি দেশ চালনার জন্য পার্লামেন্ট তৈরি করবেন, মন্ত্রিসভা গঠন করবেন, তাই না। সেই নির্বাচনী ব্যবস্থাটাকে তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষ ভোটই দিতে যায় না। ভোট দিয়ে কী হবে? ভোট তো আমার থাকবে না, আমার ভোট তো অন্য নিয়ে যাবে। এ জন্য যত কিছু কারসাজি করা দরকার, তারা (সরকার) করেছে। কখনো ১৫৪ জনকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ঘোষণা করে দেওয়া, কখনো যে তারিখে ভোট তার আগের রাত্রে ভোট নিয়ে নেওয়া, ভোট করে নেওয়া এবং সমস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে তাদের পক্ষে ঘোষণা দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা।’

২৭ দফা রূপরেখা বিএনপির স্বপ্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চয় এটা জনগণের সামনে তুলে ধরব। এটা একটা ড্রিম। ড্রিম ছাড়া কখনো সফল হওয়া যায় না। আমরা স্বপ্ন দেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অনেকের কথায় আমি হতাশার একটু ছাপ খুঁজে পাই। কেন হতাশ হবেন? আমরা তো সাকসেসফুল (সফল) হচ্ছি, প্রতিটা স্টেপে (পদক্ষেপ) আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আজকে আমি জেলে গেছি, আমি একা জেলে যাইনি তো। হাজার হাজার আমাদের নেতা-কর্মী জেলে গেছেন। তাদের মুখে আমি এতটুকু হতাশার ছাপ দেখিনি।’

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বোরহানউদ্দিন খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক কামরুল আহসান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাম হাফিজ কেনেডী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনিসুর রহমান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমুখ।

      

Bangladeshpost24.com

Previous articleরূপপুর প্রকল্পের পণ্যবাহী জাহাজ কোথায় জানা নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
Next articleযুক্তরাষ্ট্রে আবারও বন্দুক হামলা, নিহত অন্তত ৯