Home খেলা ছয় গোলের রোমাঞ্চ জিতে ৩৬৫ দিনে ‘সব জয়’ ইন্টারের

ছয় গোলের রোমাঞ্চ জিতে ৩৬৫ দিনে ‘সব জয়’ ইন্টারের

ইন্টার মিলান
ইন্টার মিলান

বাংলাদেশ পোষ্ট ২৪ ডটকম: দুই-এক বছর নয়, পাক্কা এক দশকের শিরোপা খরা। এখান থেকে পাল্টে যেতে ইন্টার মিলানের সময় লাগল মাত্র ৩৬৫ দিন!

২০২০-২১ মৌসুমে সিরি আ, ইতালিয়ান সুপার কোপা এবং আজ কোপা ইতালিয়া জয় দিয়ে এ সময়ের মধ্যে ঘরোয়া সব টুর্নামেন্টই জিতল ইন্টার। রোমে কোপা ইতালিয়ার ফাইনালও হয়েছে ফাইনালের মতোই। ছয় গোলের রোমাঞ্চে শেষ পর্যন্ত জিতেছে ‘নেরাজ্জুরি’রা।

প্রতিপক্ষ জুভেন্টাস হওয়ায় ম্যাচটা এমনিতেই আলোচনায় ছিল। ‘ডার্বি দে’ইতালিয়া’ বা ইতালিয়ান ডার্বি নামে পরিচিতি পাওয়া এ ম্যাচের আবেদন ইতালিয়ান ফুটবলে স্পেনের এল ক্লাসিকোর মতোই। ম্যাচের রোমাঞ্চও তার দাবি মিটিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার গোল দেখা গেলেও কেউ জিততে পারেনি।

২-২ গোলের সমতায় নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ করে ইন্টার ও জুভেন্টাস। অতিরিক্ত সময়ে ‘তুরিনের বুড়ি’দের কাছ থেকে গত মৌসুমের শিরোপা কেড়েছেন ইন্টারের ক্রোয়াট ফরোয়ার্ড ইভান পেরিসিচ।

অতিরিক্ত সময়ে জোড়া গোল করেন পেরিসিচ। ৪-২ গোলের জয়ে ১১ বছরের মধ্যে প্রথম কোপা ইতালিয়া জয়ের স্বাদ পায় ইন্টার। এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৫৭ বছর পর প্রথম মুখোমুখি হয়ে প্রতিশোধও নিল মিলানের ক্লাবটি। ১৯৫৭ এবং সর্বশেষ ১৯৬৫ কোপা ফাইনালে জুভেন্টাসের কাছে হেরেছে ইন্টার।

তবে এ মৌসুমে দ্বিতীয় ফাইনালেও ইন্টারের কাছে হারল জুভেন্টাস। গত জানুয়ারিতে ইতালিয়ান সুপার কোপা ফাইনালেও পারেনি মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির দল।

ইনজাঘির দলকে ম্যাচের ৬ মিনিটে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন মিডফিল্ডার নিকোলো বারেল্লা। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে বক্সের বাইরে ঠিক কোনাকুনি জায়গা থেকে দুরপাল্লার শটে চোখ ধাঁধানো গোল করেন বারেল্লা।

জুভেন্টাস প্রথমার্ধে এই গোল শোধ করতে পারেনি। তবে দুসান ভ্লাহোভিচ ও পাওলো দিবালার শট ইন্টার গোলকিপার সামির হান্দানোভিচ রুখে না দিলে এগিয়েও যেতে পারত জুভেন্টাস। শেষ পর্যন্ত ৫০ মিনিটে জুভেন্টাসকে সমতায় ফেরান অ্যালেক্স সান্দ্রো।

এর দুই মিনিট পরই প্রতি আক্রমণ থেকে জুভেন্টাসকে এগিয়ে দেন ভ্লাহোভিচ। ফিরতি বলে গোল করেন। ম্যাচের ৮০ মিনিটে গিয়ে পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরে ইন্টার। আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লওতারো মার্তিনেজকে বক্সে জুভেন্টাসের বোনুচ্চি ও ডি লিটের ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টি পায় জুভেন্টাস।

স্পট কিক থেকে গোল করেন তুর্কি মিডফিল্ডার হাকান কালাহানগ্লু।

অতিরিক্ত সময়টা পেরিসিচের গল্প। সেখানেও ম্যাথিয়াস ডি লিটের ‘অবদান’ আছে। ৯৯ মিনিটে নিজেদের বক্সে ইন্টার ডিফেন্ডার স্টেফান ডি ভার্জিলের হাঁটুতে ফাউল করেন এই ডাচ।

এবার পেনাল্টি থেকে পেরিসিচের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্টার। তিন মিনিট পর শেষ গোলটি পেরিসিচের ব্যক্তিগত দক্ষতার অনুপম উদাহরণ। বক্সের কোনা থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শট জালে!

bangladeshpost24.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here