Home বিনোদন ‘কলকাতায় বঙ্গবন্ধু’ নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানালেন গৌতম ঘোষ

‘কলকাতায় বঙ্গবন্ধু’ নির্মাণের অভিজ্ঞতা জানালেন গৌতম ঘোষ

গৌতম ঘোষ

বাংলাদেশ পোষ্ট ২৪ ডটকম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন কাহিনি নিয়ে ‘কলকাতায় বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করছেন ভারতের বিখ্যাত নির্মাতা গৌতম ঘোষ।

নির্মাতা জানান, আগামী জুন মাসের মধ্যে তথ্যচিত্রটি তৈরির কাজ শেষ হবে। এই প্রামাণ্যচিত্রে কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ-ভারত চ্যাপ্টারের সহায়তায় এই তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা ও টুঙ্গিপাড়ায় শুটিংয়ের কাজে গৌতম ঘোষ বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

৩০ মিনিটের এই প্রামাণ্যচিত্র উপলক্ষে শুক্রবার (১৩ মে) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গৌতম ঘোষ বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা। আমি যখন ২২ বছরের যুবক, তখন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধু এসেছিলেন এবং আমরা সবাই তখন তাঁর ভাষণ শুনতে গিয়েছিলাম।’

বঙ্গবন্ধুর জীবনে কলকাতা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা, অধ্যয়ন বা রাজনীতির কারণে তিনি অসংখ্যবার কলকাতায় গিয়েছিলেন। ওই অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এই প্রামাণ্যচিত্রে ইংরেজি সাব-টাইটেল থাকবে এবং পরে ইংরেজি ভার্সন হতে পারে বলেও জানান গৌতম।

সম্প্রতি কলকাতার বেকার হোস্টেল, তৎকালীন ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ), হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় শুটিং হয়েছে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন দীপংকর চক্রবর্তী, তপর্সি গুপ্ত ও সোহেল চৌধুরী।

গৌতম ঘোষ বলেন, ‘আমি ৯৮ বছর বয়সী নিহাদ চক্রবর্তী নামে একজনের সঙ্গে আলাপ করেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু কী পরিমাণ সাহসী একজন ব্যক্তি ছিলেন।’

১৯৪০-এর দশকে শেখ মুজিবুর রহমান তখনও বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেননি। ওই সময়ের কোনও অডিও, ভিডিও বা ছবি নেই। ফলে এই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলে মনে করেন গৌতম ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখনীকে উপজীব্য করে এর চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে আরও বিভিন্ন লেখা ও বই থেকে উপাদান সংগ্রহ করা হয়েছে।’’

আরও বলেন, ‘কলকাতায় অবস্থানকালে নিয়মিত সোহরাওয়ার্দীর বাসায় যেতেন বঙ্গবন্ধু। আমি যখন ওই বাসার খোঁজ করলাম, সেটি আর খুঁজে পাইনি, যা ২০ বছর আগেও ছিল।’

২০১৯ সালে তৎকালীন কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-মিশনের প্রধান তৌফিক হাসান এই তথ্যচিত্র তৈরির জন্য গৌতম ঘোষকে প্রস্তাব দেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেন ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রধান মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আরেফিন।

bangladeshpost24.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here