ছবি: সংগৃহীত




অনলাইন ডেস্কঃ চলতি বছর বিশ্বজুড়ে অন্তত ৫৩০ কোটি মোবাইল ফোন ই-বর্জ্যে পরিণত হবে। এসবের বেশিরভাগই হয়তো ব্যবহারকারীরা ফেলে দেবেন অথবা নিজেদের কাছে রেখে দেবেন। খুব সামান্য অংশই রিসাইকেল করে তার ভেতর থেকে মূল্যবান পদার্থ বের করা হবে।

ইন্টারন্যাশনাল ওয়েস্ট ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্টের (আইডব্লিউইইই) এক প্রতিবেদনের বরাতে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে আইডব্লিউইইই।

আইডব্লিউইইইর মহাপরিচালক প্যাস্কেল লিওরি বলেন, মানুষ সাধারণত এটা বোঝে না যে, এই যন্ত্রাংশগুলোর কী পরিমাণ মূল্য রয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে পুরো বিশ্ব মিলে এর পরিমাণ কত বেশি। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৬০০ কোটি মোবাইল ফোন রয়েছে, যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আর ব্যবহার হচ্ছে না। বেশিরভাগ মানুষই এসব অব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিজেদের কাছে রেখে দেন।

আইডব্লিউইইই বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক এবং ইলেকট্রনিক্স মিলে বিশ্বজুড়ে ই-বর্জ্যের এক ‘পাহাড়’ তৈরি হবে। আর সেই পাহাড়ের ওজন হবে অন্তত ৭ হাজার ৪০০ কোটি টন।

বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া ই-বর্জ্যের মাত্র ১৭ শতাংশ রিসাইকেল করা হয়। জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) আগামী বছর নাগাদ এই হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

শুধু যুক্তরাজ্যেই মানুষের বাসাবাড়িতে ৫ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন পাউন্ড অর্থমূল্যের পরিত্যক্ত কিন্তু সচল ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস রয়েছে। এসব ডিভাইস রিসাইকেলের জন্য বিক্রি করে প্রতিটি পরিবার গড়ে ২০০ পাউন্ড পর্যন্ত আয় করতে পারে।

এসব ডিভাইস কোথায় রিসাইকেলের জন্য বিক্রি করা যাবে সে বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করতে প্রচারণামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে আইটিইউ, আইডব্লিউইইইর মতো সংস্থাগুলো।

Bangladeshpost24.com        

Previous articleশাকিবের সঙ্গে তাজমহলের স্মৃতি সামনে আনলেন বুবলী
Next articleব্যবসায়ীর প্রেমে মজেছেন ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ জয়ী মানশি