ছবি: সংগৃহীত




অনলাইন ডেস্কঃ বিশ্বের অন্যতম দুই বৃহৎ দেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, সামরিক শক্তিসহ প্রায় সবকিছু নিয়ে চলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এবার দুই দেশের এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা পৌঁছাল মহাকাশে। চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান নিয়ে তাদের মধ্যে হবে লড়াই।

সোমবার (২৯ই নভেম্বর) চীনের মহাকাশ সংস্থা সিএমএসএ জানিয়েছে, নিজেদের মহাকাশ স্টেশনে আরও নতুন তিন নভোচারীকে পাঠাবে তারা। আর এদিনই সংস্থাটির সহকারী পরিচালক জি কিমিং ঘোষণা দিয়েছেন চাঁদেও মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে তাদের।

মঙ্গলবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে মনুষ্যবাহী শেনচৌ-১৫ মহাকাশযান দিয়ে তিন নভোচারিকে মহাকাশে পাঠানো হবে। তারা চীনের নিজস্ব তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে যাবেন এবং সেখানে ছয় মাস অবস্থান করবেন।

গত ১৬ই নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট আর্টেমিস-১ উৎক্ষেপণ করে। আর্টেমিসের সঙ্গে সংযুক্ত অবস্থায় ওরিয়ন নামে আরও একটি ছোট মানুষবিহীন নভোযান (অ্যাস্ট্রোনট ক্যাপসুল) পাঠানো হয় সেদিন। যা পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে যাওয়ার পর আর্টেমিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা হয়। মূলত সুদুরপ্রসারী চন্দ্র অভিযানের অংশ হিসেবেই এ ক্যাপসুলটি পাঠানো হয়েছে। এর দুই সপ্তাহ পরেই চীনের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হলো তারাও চাঁদে অভিযান চালানোর বড়সড় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

চীনের মহাকাশ স্টেশনের সহকারি পরিচালক জি জানিয়েছেন, তাদের এখন অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো চাঁদে মানুষ পাঠানো। এ লক্ষ্যে চীনের নিজস্ব প্রযুক্তি দিয়ে গবেষণাও শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া নতুন প্রজন্মের মনুষ্যবাহী নভোযান, মনুষ্যবাহী রকেট, চাঁদে ল্যান্ড করার পোশাক তৈরিতে চীন বড় সাফল্য পেয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

তিনি এক প্রশ্নের জবাবে জানান, চীন খুব শিগগিরই তাদের চন্দ্রাভিযান শুরু করতে পারবে।

Bangladeshpost24.com

Previous articleজিপিএ-৫ পেলেন ইউপি সদস্য
Next articleঅপু-বুবলীর মনের মিল যেখানে