অনলাইন ডেস্কঃ মাত্র এক দিনেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সব কার্যক্রম শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। পাশপাশি গ্রাহক চাইলে লাইসেন্স বাড়িতেও পৌঁছে দেবে সংস্থাটি।

যুগ যুগ ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে গ্রাহকরা ভোগান্তি পোহাচ্ছে। এতোদিন একটি লাইসেন্স পেতে বিআরটিএ কার্যালয়ে পাঁচ থেকে ছয় দিন ধর্ণা দিতে হত একজন গ্রাহককে। পাশাপাশি দালালের দৌরাত্ব তো আছেই। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে প্রথমধাপে একদিন এসে করতে হয় শিক্ষানবিশ লাইসেন্স।

পরীক্ষা দিতে আসতে হয় দ্বিতীয়বার। পরীক্ষায় পাস করেলে তৃতীয়বার আসতে হয় আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার জন্য। এরপর আবার লাইসেন্সের আবেদন। এসব করতে এসে বিআরটিএ কার্যালয়ে সাধারণ মানুষের যত ভোগান্তি পোহাতে হত।

অবশেষে ভোগান্তি শেষ হচ্ছে গ্রাহকদের। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী সাংবাদিকদের জানান, নতুন পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রাহক মাত্র একদিনেই লাইসেন্স পাবার সব কার্যক্রম শেষ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে আমরা একদিনেই লাইসেন্স পাবার সব কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে প্রক্রিয়াটি চালু করার কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের সফটওয়্যারে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এর কাজও শুরু হয়েছে। কার্যক্রম চালু হলে আমাদের অফিসে গ্রাহককে শুধুমাত্র একবার আসতে হবে। একদিনেই পরীক্ষা, ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ সব কাজ সম্পন্ন হবে। কবে নাগাদ এটি চালু হবে জানতে চাইলে বিআরটিএর এই পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আশাবাদী এ বছরের ডিসেম্বর নাগাদ কার্যক্রম চালু করা যাবে।

তিনি আরও জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্ট হয়ে গেলে গ্রাহক যদি চায় তাহলে আমরা সেটি বাড়িতেও পৌঁছে দিব। সেক্ষেত্রে গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে কুরিয়ারের ফি। ‘তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধতামূলক।’-যোগ করেন মাহবুব-ই-রব্বানী।

জানা গেছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে গ্রাহক ভোগান্তিতে ক্ষোভ জানিয়েছে জাতীয় সংসদের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিও। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ১২ লাখের মত স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টের করার কাজ শেষ হয়েছে। এখন তা বিতরন করা হচ্ছে।

 

Bangladeshpost24.com

Previous articleআজ কোনো অভিযোগ নাই, অনুযোগও নাইঃ বিদায়ী পুলিশ প্রধান
Next articleব্রাজিলের আমাজন রাজ্যে সেতু ধসে নিহত ৩, নিখোঁজ ১৫