অনলাইন ডেস্কঃ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবার চালানের সন্ধানে কক্সবাজার টেকনাফ এলাকায় অভিযান শুরু করে র‍্যাব ৭ এর একটি বিশেষ দল।অভিযানে সন্দেহভাজন একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।তার স্বীকারোক্ত অনুযায়ী ঐ বাড়ীর মাটি ঘুড়ে বের করে আনা হয় একের পর এক ইয়াবার প্যাকেট।শেষ পযন্ত সেখান থেকে বের করা হয় ৩ লাখ ৬৫ হাজার পিস ইয়াবা।
এ সম্পকে মেজর রেজাওয়ানুর রহমান বলেন,আমরা মোট ৩লাখ ৬৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছি।যাহার বাজার মূল্য ১০কোটি টাকা।

ইয়াবার সাথে আটককৃত দুইজনের কাছ থেকে বের হয় চাঞ্চল্যকর তথ্য,ইয়াবা বিক্রি টাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে আনা হচ্ছে স্বনের বার। স্বর্ন বিক্রি সংঙ্গে চক্রটি দুই সদসসের অবস্থান সংক্রাক্ত করা হয় সিতাকুন্ডের জংগল ছলিমপুর।সেখানে অভিযান চালিয়ে স্বর্নালংকার সহ আটক করা হয় দুই রোহিঙ্গাকে।

এই প্রসঙ্গে লেঃ কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন অভিযান পরিচালনা করে আমরা একজন কে এবং তার মা কে বাসা থেকে প্রচুর স্বর্ন অলংকার সহ ঊদ্ধার করি যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১.৫ কোটি টাকা।

র‍্যাব জানায় সাগরপথে টেকনাফ সাবরান ও উখিয়া হয়ে টুকছে ইয়াবা ও সোনার চালান।আটক রোহিঙ্গা যুবক আসমততুউল্লাহ বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে একবার সেীদিআরব ও গিয়েছিলেন।এই পাচারকারী দলের বেশ কয়েকজন কে চিহ্নিত করা গেলে ও তাদের আটক করা সম্ভব হচ্ছে না,কারন তারা মিয়ানমারে অবস্থানতর।এনামুল নামে একটা নাম জানা যায়,তার প্রতিনিধি টেকনাফে রেখে দিয়েছে।তার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইয়াবার ব্যবসা পরিচালনা করে।
স্বর্ন চালান আটকের  যটনার চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড এবং ইয়াবা জব্দের ঘটনায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় আলাদা দুটি মামলা করেছে র‍্যাব ৭।

bangladeshpost24.com

Previous articleগোটা সড়ক ব্যবস্থাকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে সরকার- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
Next articleবিএনপির নির্বাচনী প্রতীক বদলে গেলো কিনা তা নিয়ে সংশয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর